১২ বছরের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী

     করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান               খোলা থাকবে না বন্ধ থাকবে তা নিয়ে                              কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

                 আইডি বা রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেখালেই টিকা পাবে শিক্ষার্থীরা

             শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রেখে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনেশনের প্রতি জোর দেওয়া হবে। যারা টিকা নিয়েছে তারা সশরীরে ক্লাসে উপস্থিত হবে। যারা এখনো টিকা নিতে পারেনি এবং অসুস্থ আছেন তারা বাসায় বসে অনলাইনে ক্লাসে যুক্ত হবে।

১২ বছরের ঊর্ধ্বে যেকোনো শিক্ষার্থী টিকাকেন্দ্রে গেলে টিকা পাবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা আইডি কার্ড নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিতে পারবে। কারও আইডি কার্ড না থাকলে সেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেখালে টিকা দেওয়া হবে।

সোমবার (১০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। 

               শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আপাতত আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করছি না। আমরা এ মাসের মধ্যেই সব শিক্ষার্থীর টিকার প্রথম ডোজ সম্পন্ন করবো। বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা টিকা থেকে বেশি পিছিয়ে রয়েছে। সে কারণে আগামীকাল মঙ্গলবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈঠক করা হবে।


তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রেখে নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে প্রতি সপ্তাহে বৈঠক করা হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাসে পাঠদান চালিয়ে নেওয়া হবে। এটি ধারাবাহিকভাবে চলবে। 

         শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন,  মে কোনো ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থী এই টিকা নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন। । ১২ বছরের ঊর্ধ্বে হলেই তাকে টিকা দেওয়া হবে।দ্রুত সময়ে শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনতে এ কার্যক্রম সহজ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। 

          তিনি আরও বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশন ছাড়াও নিজ নিজ আইডি কার্ড নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে টিকা নিতে পারবে। যাদের আইডি কার্ড নেই তারা রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিয়ে গেলে টিকা পাবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানেও একসঙ্গে গিয়ে বা এককভাবে টিকা নেওয়া যাবে

আবারও নতুন রূপে ধাপিতো হচ্ছে করোনা , বন্ধ হতে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

             স্বাস্থ্যবিধির নতুন নির্দেশনা , 

       ১/২ দিনে জারি হতে পারে প্রজ্ঞাপন

  

করোনা রোগী শনাক্ত


  #.  জার্মানিতে ছড়িয়ে পড়েছে (ওমিক্রন B11529)(১)

  #.  বাংলাদেশে দিনে দিনে আক্রান্ত হচ্ছে হাজারো                মানুষ ।(২)

  #. যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লাইট বন্ধের রেকর্ড । (৩)

  #. ভারতে বন্ধ হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ।(৪)

  #. করোনা সনাক্তকরণের হার ২০ শতাংশ । (৫)

     

              (১) জার্মানিতে ছড়িয়ে পড়েছে 

                       (ওমিক্রন B11529)

       সাউথ আফ্রিকার কেপ টাউন থেকে শুরু করে উগান্ডা শহর থেকে মে বিমান গুলো ইউরোপে প্রবেশ করছে সেই বিমান গুলোর যাত্রীদের মধ্যে থেকে ছড়িয়েছে বলে জানা যায় । করোনা ভাইরাসের যে নতুন ভেরিয়েন্ট , এই ভেরিয়েন্ট এত দ্রুত মানুষের মধ্যে বিস্তর করতে চাইছে । মানুষের অসাবধানতার কারণে এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন । জার্মান সরকার ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন  : -

         যারা এখনো করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের টিকা বা ভ্যাকসিন নেননি তাদের কে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে যে যত দ্রুত সম্ভব করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে । 

                 আর যারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিন্তু ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তাদের কে বিশেষ ভাবে অনুরোধ যেন তারা যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসার আওতায় আসতে ।

      

           (২) বাংলাদেশে দিনে দিনে আক্রান্ত

                       হচ্ছে হাজারো মানুষের

       বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত ভেরিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১০ জনের অধিক । দিন দিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে । এ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন  :- 

             মাক্স পরা বাধ্যতামূলক থাকছে বাংলাদেশের মানুষের সুস্থতার কথা চিন্তা করে । যারা এখনো পর্যন্ত করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের ভ্যাকসিন নি তাদের অতি দ্রুত ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে । আর যারা রেস্টুরেন্টে খাইতে যাবেন তাদের অবশ্যই মাক্স ব্যবহার করতে হবে। এগুলোর পাশাপাশি হয়তো লকডাউন ও দেওয়া দেওয়া হতে পারে যদি অতিরিক্ত আকার ধারন করে ।

      এ সম্পর্কে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

 বলেন :-

                  করোনা ভাইরাস যদি অতিরিক্ত আকার ধারণ করে , তখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হতে পারে । যেহেতু এখনো সেরকম কিছুর সম্ভবনা দেখা যায় নি, সেহেতু  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগের নিয়মে খোলা থাকবে ।


                 (৩) যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লাইট বন্ধের রেকর্ড ।

         যুক্তরাষ্ট্রে অধিক হারে ওমিক্রন বাড়ার কারণে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা যাত্রীবাহী ফ্লাইট গুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল । কিছু দিনের মধ্যেই সংক্রমণের হার তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় কারনে দেশটির সরকার ফ্লাইট বাতিল সহ বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে ।    

    

                

               (৪) ভারতে বন্ধ হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ।

       আমেরিকা , জার্মান , যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি পারশ দেশ ভারতে ও বর্তমানে ওমিক্রন প্রভাব বিস্তার করা শুরু করেছে । যার ফলে ভারত সরকার ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন যে হয়তো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি হয়তো লকডাউন ও দেওয়া হতে পারে । ওদিকে ভারতে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্ সরকারের মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস , প্রাকতন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় , প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষী রতন শুক্লা এবং বিসেসিয়ার সভাপতি সৌরভ ব্ঙ্গপাধ্যায় সহ কলকাতার দুটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রায় ৬০ জন ।



           

 (৫) করোনা সনাক্তকরণের হার ২০ শতাংশ । 

  

  করোনা সনাক্তকরণের হার বর্তমান ৫ জনের মধ্যে ১ জন ।  তার মানে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ২০ জন আক্রান্ত হচ্ছে । মাক্স ব্যবহার ও সচেতনতার কারণে ওমিক্রন বিরাট আকার ধারণ করতে না পারায় মানুষ সুস্থ স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারছে ।

করোনা ভাইরাস (কোভিড -১৯ ) ২০২২

        করোনা ভাইরাস:  বাংলাদেশে                           কোভিডে  মৃত্যুহীন দিন

মানুষের তাপমাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে

  ইউরোপ ও আমেরিকায় এই মুহূর্তে আবারও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে বাড়ছে। আর এর পেছনে রয়েছে ভাইরাসটির নতুন ধরন অমিক্রন।


                  অন্য অন্য বছরের তুলনায় এ বছর বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ খুবই কম । আগের তুলনায় মানুষ অনেক সচেতন হয়েছে যার ফলে ভাইরাস অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আছে। কিন্তু ইউরোপ ও আমেরিকায় তুলনা মূলক ভাবে করোনা ভাইরাস নতুন রূপে দেখা দিয়েছে।

   নিরাপত্তার প্রবল কড়াকড়ি থাকার পরেও রাত ১২টা এক মিনিটে আতশবাজি, ফানুস উড়িয়ে খ্রিস্টীয় নতুন বছর ২০২২ সালকে বরণ করে নিয়েছে বাংলাদেশের মানুষ।


গত দুই বছরের মতো এবারও নতুন বছর এসেছে বিশ্ব জুড়ে করোনা মহামারির মধ্যে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আশাবাদ জানিয়েছে যে, ২০২২ সালে করোনাভাইরাস মহামারিকে পরাস্ত করতে পারবে বিশ্ববাসী। তবে সেজন্য বিশ্বের দেশগুলোকে একত্রে কাজ করতে হবে।


কিন্তু নতুন বছরে কী কী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বাংলাদেশকে?

করোনাভাইরাস ও অমিক্রন

গত দুই বছর ধরে করোনাভাইরাসের আক্রমণের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ। নতুন করে তার সঙ্গে যোগ হয়েছে অমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ।

   কিন্তু জনসংখ্যার বিচারে তা এখনো সন্তোষজনক নয় বলে মনে করছেন পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন শারমীন ইয়াসমিন।

তিনি বলছেন, ''টিকার কার্যক্রম আরও বাড়াতে হবে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আমরা কিন্তু এই ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছি। করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা পেতে হলে আমাদের দেশের সব জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আর আমার মতে, এটাই সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি মি. শেলডন ইয়েট বলেন, "মহামারি থেকে পরিত্রাণের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল টিকা পাবার সমঅধিকার নিশ্চিত করা এবং বিশ্বব্যাপী টিকা দেওয়ার হার বাড়ানো।''

বাংলাদেশে প্রায় ১০ কোটি মানুষকে টিকা দেয়ার পর সরকার এখন বুস্টার ডোজের কার্যক্রম শুরু করেছে। বুস্টার ডোজ হিসাবে দেয়া হচ্ছে ফাইজার, মর্ডানা এবং অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা।

একাদশ শ্রেণীর ভর্তি নিয়ে বিশাল সুখবর জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

         একাদশ শ্রেণীর ভর্তি নিয়ে বিশাল                      সুখবর জানালেন শিক্ষামন্ত্রী


মাননীয় মন্ত্রী

Pic_Minister

ডা. দীপু মনি, এম.পি



একাদশ শ্রেণীর ভর্তি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন:-

      দেশে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে আসন আছে ২৩ লাখের বেশি যা পাশ করা শিক্ষার্থীর সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি । তাই শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে আসনের কোনো সমস্যা নেই ।


          এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২০লক্ষ ৯৬ হাজার ছাত্র ছাত্রী । তাদের ভাবনা এখন ভর্তি নিয়ে । ৫ ই জানুয়ারি অর্থাৎ আজ থেকে শুরু হয়েছে ভর্তির কার্যক্রম । ভর্তির শেষ তারিখ ২২শে জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত । 


              শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে সারা দেশে প্রায় ৫ হাজার কলেজের আসন আছে ২৩ লাখ মা পাশ করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা থেকে ২ লাখ বেশি ।

           

                 এদিকে গবেষণা থেকে জানা যায় , এ বছর শিক্ষার্থীদের অধেক ছিলেবাজের পরিক্ষা হয়েছে যার ফলে শিক্ষার্থীরা কিছু টা পিছিয়ে আছে । এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের করনিও নিজেকে ভালোভাবে প্রুসতুত করা যাতে তারা ভবিষ্যতে কোনো সমস্যায় না পড়তে হয় ।


চালতার অসাধারন গুন সম্পর্কে জানলে অবাক হবেন

            চালতার নানাবিধ উপকারিতা

                 চালতার নানাবিধ উপকারিতা

     

     টক ফল চালতার আচার, চাটনি, টক ডাল অনেকেরই প্রিয় খাদ্য। পাকা ফল পিষে নিয়ে লবণ-মরিচ দিয়ে মাখালে তা বেশ লোভনীয় হয়। গ্রাম এলাকায় সাধারণত জঙ্গলে এ গাছ জন্মে। কখনো কখনো দুয়েকটি গাছ বাড়ির উঠানে দেখা যায়। চালতা ফলের যে অংশ খাওয়া হয় তা আসলে ফুলের বৃতি। প্রকৃত ফল বৃতির আড়ালে লুকিয়ে থাকে। এ ফলের রয়েছে বেশ পুষ্টিগুণ। চলুন জেনে নিই চালতার বিভিন্ন উপকারিতা….

আয়ুর্বেদ শাস্ত্র : 
        ১.আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে চালতার ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ক্ষমতাও রয়েছে।
               ২. চালতা হৃদযন্ত্র এবং যকৃৎ ভালো রাখার প্রয়োজনীয় উপাদানে ভরপুর।
           ৩. চালতা মানব দেহের হাড়ের সংযোগস্থলের ব্যথা কমাতে খুবই উপকারী।
     ৪. চালতা গলা ব্যথা, বুকে কফ জমা, সর্দি প্রতিরোধে উপকারি।
          ৫.কুসুম গরম পানিতে চালতার রস আর সামান্য চিনি মিশিয়ে খেলে রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ কর
             ৬.  চালতা হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। চালতা খেলে ডায়রিয়া ও বদহজম জনিত সমস্যায় উপকারি।

                ৭. কানের যে কোনো সমস্যায় চালতা ভালো কাজ দেয়।

    ‌           ৮. অন্ত্রে বাসা বাঁধা কৃমির বিরুদ্ধে লড়াই করতে চালতা অসাধারণ ক্ষমতা রাখে।

গবেষণা :
        অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ মতে জানা গেছে--  ১.ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ পূর্ণ একটি ফল। তাই এটি স্কার্ভি ও লিভারের সমস্যার জন্য ব্যবহার করা হয়।
          ২. চালতা ক্যালসিয়ামের একটি ভালো উৎস। ক্যালসিয়াম হাড় ভালো রাখার জন্য জরুরি। এ ছাড়া ফসফরাস, আয়রন ও ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’র পাওয়া যায় চালতায়।
           ৩. পাকস্থলীতে যাদের আলসার আছে, তাদের জন্য উপযুক্ত ওষুধ হতে পারে চালত।
             ৪. কানের যে কোনো সমস্যায় চালতা ভালো কাজ দেয়।
           ৫.  চালতা ভিটামিন সি এর অভাবজনিত রোগ থেকে সুরক্ষা পেতে সহায়ক।

           ৬. চালতা হৃদযন্ত্র এবং যকৃৎ ভালো রাখার প্রয়োজনীয় উপাদানে ভরপুর।


          চালতা প্রাকৃতিক এসিড যেমন-অক্সালিকম, ট্যানিক, ম্যালিক এবং সাইট্রিক এসিডে সমৃদ্ধ। এটা ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ও ভিটামিন-এ, বি ও সি এর ভালো উৎস। চালতার পাতাস্থ তেল ত্বকের সংকোচনে এবং এর আঠা ত্বকের ক্ষতজনিত যন্ত্রণা প্রশমিত করতে ব্যবহৃত হয়। চালতা যেকোনো ধরনের বদহজমজনিত সমস্যার জন্য ভালো। এটি অন্ত্রের সংক্রমণ, অর্শরোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং ডায়রিয়া নিরাময়ে সাহায্য করে। এছাড়া চালতা বাচ্চাদের পেটের সমস্যায়ও ব্যবহার করা হয়।

এটি মহিলাদের জন্য উপকারী। কারো কারো মতে, চালতা গর্ভপাত পরবর্তী সমস্রাগুলো প্রতিরোধে সহায়তা করে। এমনকি এটি জরায়ু ও স্তনের ক্যান্সার পর্যন্ত প্রতিরোধ করে। পুরুষের অকাল বীর্যস্খলন, দুর্বলতা ও শুক্রাণুর স্বল্পতা নিরাময়ে চালতা উপকারী ভূমিকা রাখে। চালতা ভিটামিন এ ও সি পূর্ণ একটি ফল: তাই স্কার্ভি ও লিভারের সমস্যার জন্য এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। রক্ত পরিশোধন ও ডিটক্সিফিকেশনে চালতা সহায়তা করে। এছাড়া যাদের কিডনিতে সমস্যা রযেছে, তারা নিয়মিত চালতা খেলে উপকার পাবেন।
চালতার পাতা ঠান্ডা ও কাশির জন্য উপকারী। চালতা গাছের কষ বা আঠায় ডায়াবেটিস রোগ নিরাময়ের উপাদান রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম চালতায় ১৪০ কিলোক্যালরি শক্তি আছে, যা কিনা শক্তিবর্ধক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।